নারীদের মসজিদে সালাত- মালেকি ফিকহের আলোকে

মূল- শায়েখ হাবিব বিন তাহির (হাফিযাহুল্লাহ)

[শায়েখ হাবিব বিন তাহির। তিউনিসিয়ার প্রখ্যাত মালিকি আলেম। মালিকি ফিকহের মূলত মশহুর মাসআলা-মাসায়েল দলিলসহ আলোচনা করেছেন “আল ফিকহ আল মালিকি ওয়া আদিল্লাতুহু” কিতাবে। কিতাবের জামাআতে নামায অধ্যায়ের “জামাআতের জায়েয কাজ”-এর আলোচনা থেকে নারীদের মসজিদে যাওয়া নিয়ে আলোচনা অনূদিত হল। — অনুবাদক]

বৃদ্ধা নারী, যার প্রতি পুরুষদের আকর্ষণ থাকে না, তার জন্য জামাআতে নামায পড়তে মসজিদে যাওয়া জায়েয। এমনকি ঈদ, ইসতিসকা, কুসুফ, এবং কাছের বা দূরের আত্মীয়ের জানাযার নামায পড়তে যাওয়াও জায়েয।

যুবতী নারী ফিতনার কারণ না হলে (غير مفتنة) মসজিদে যাওয়া এবং কাছের আত্মীয়ের জানাযায় যাওয়া জায়েয। এসব কারণে বের হওয়ার জন্য তার স্বামীর উপর কোনো বিধান প্রয়োগ হবে না, যখন তার স্মরণ থাকবে যে সে স্ত্রীকে নিষেধ করার অধিকার রাখে (لا يقضى على زوجها بالخروج لذلك لما ذكر أنّ له منعها)।

কিন্তু যে যুবতী নারীর ব্যাপারে ফিতনার আশংকা আছে (مخشية الفتنة), তার জন্য জামাআতের জন্য বের হওয়া একেবারেই (مطلقا) জায়েয নেই। তবে শায়েখ আল আব্বি অত্র মতের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, নারীদের জন্য মসজিদে যাওয়া জায়েয। তিনি বলেন,

و فيه نظر لأنه خروج لشهود الجماعة و شهودها سنة أو فرض كفاية الا أن يقال انما هي سنة أو فرض كفاية للرجال فقط و يبعد

অর্থ — “এ মতামতের বিষয়ে কথা আছে। কেননা জামাআতের নামাযের জন্য বের হওয়া এবং তাতে উপস্থিত হওয়া সুন্নাত বা ফরযে কিফায়া। যদি বলা হতো যে কেবল পুরুষের জন্যেই সুন্নাত বা ফরযে কিফায়া, তবে কথা ছিল। কিন্তু তেমন তো বলা হয় না!” (ইকমালুল ইকমাল, ২/১৮৭)

উলামায়ে কেরাম নারীদের জন্য মসজিদে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আরোপ করেছেন –

শর্ত ১ — কোনো অলংকার, শোভা-পরিচ্ছদ, সুগন্ধী মেখে, পুরুষদের মতো সেজে বের হতে পারবে না

দলিল: মুসলিম শরিফে এসেছে, আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্ত্রী যয়নব (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন,

قال لنا رسول الله (صلى الله عليه و آله و سلم): اذا شهدت احداكن المسجد فلا تمس طيبا

অর্থ — “আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ মসজিদে গেলে যেন সুগন্ধি না লাগায়।” (সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাত, বাবু খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ)

কাযি ইয়ায বলেন,

و في معنى الطيب اظهار الزينة و الثياب و حس الحلي

অর্থ — “সুগন্ধি শব্দের অর্থে শোভা-সৌন্দর্য, কাপড়, ও বোঝা যায় এমন অলংকার প্রকাশও অন্তর্ভুক্ত।” (ইকমালুল ইকমাল, ২/১৮৮)

আরেক রেওয়ায়েতে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,

اذا شهدت احداكن صلاة العشاء فلا تمسنّ طيبا

অর্থ — “তোমাদের কোনো নারী যদি এশার নামায পড়তে যায়, তবে যেন সুগন্ধি না লাগায়।” (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, কিবলা অধ্যায়, বাবু মা জাআ ফি খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ; সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাত, বাবু খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ)

অত্র হাদিসে কেবল এশার নামাযে হাজির হওয়ার ক্ষেত্রে সুগন্ধি লাগাতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে হাদিসের যাহির অর্থে নেয়া যাবে না। কেননা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারী সুগন্ধি লাগায় রাতের বেলায় স্বামীর সাথে শয়নকালে। তাই তাদেরকে এশার নামায পড়তে যাওয়ার আগেই সুগন্ধি লাগাতে নিষেধ করা হয়েছে। কেননা সুগন্ধি লাগানো ও সুন্দর সাজগোঁজ করে বের হওয়া লোকজনের জন্য ফিতনাকর, যা নিষিদ্ধ। (আল মুনতাকা, ১/৩৪২)

যদি নারী সেজেগুঁজে সুগন্ধি লাগিয়ে বের হয়, তাদেরকে নামাযে যেতে নিষেধ করা ওয়াজিব হবে। কাযি ইয়ায এবং কাযি ইবনে রুশদ আল জাদ্দ অত্র রেওয়ায়েত থেকে দলিল দিয়েছেন — হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

لو أدرك رسول الله (صلى الله عليه و آله و سلم) ما أحدث النساء لمنعهنّ المساجد كما منعه نساء بني اسرائيل

অর্থ — “মহিলারা নতুন নতুন যা শুরু করেছে, তা যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) দেখতে পেতেন, তবে তাদের মসজিদে যাওয়া নিষেধ করে দিতেন, যেমনটা বনি ইসরাইলের নারীদের নিষেধ করা হয়েছিল।” (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, কিবলা অধ্যায়, বাবু মা জাআ ফি খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ; সহিহ বুখারি, কিতাবুল আযান, বাবু ইনতিযারিল নাস কিয়ামাল ইমামিল আলিম)

ইমাম আল আব্বি বলেছেন,

قول عائشة <<ما أحدثه النساء>> أي من الزينة و الطيب و حسن الشارة

অর্থ — “হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কথা “মহিলারা নতুন নতুন যা শুরু করেছে” কথার অর্থ হল নতুন নতুন যেসব শোভা-সৌন্দর্য, সুগন্ধি, এবং সুন্দর ফ্যাশন শুরু করেছে।” (ইকমালু ইকমালিল মু’লিম, ২/১৮৮)

ইমাম আল বাজি বলেছেন,

يعني التطيب و التجمل و قلة التستر

অর্থ — “(হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর কথার) অর্থ হল সুগন্ধি লাগানো, সাজগোঁজ করা, নিজেকে অল্পই ঢেকে রাখা।” (আল মুনতাকা, ১/৩৪৩)

শর্ত ২ — যুবতী নারী, যার ব্যাপারে ফিতনার ভয় আছে, সে যেতে পারবে না। (এই ব্যাপারে কিছু ইখতিলাফ আছে যা পূর্বে বলা হয়েছে।)

শর্ত ৩ — যে পথ দিয়ে যাবে, তা বিপদমুক্ত হতে হবে।

শর্ত ৪ — বিবাহিতা হলে স্বামীর অনুমতি নিতে হবে।

দলিল: মুওয়াত্তা ইমাম মালিকে এসেছে, আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

لا تمنعوا اماء الله مساجد الله

অর্থ — “আল্লাহর বান্দিদের আল্লাহর মসজিদ থেকে মানা করো না।” (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, কিবলা অধ্যায়, বাবু মা জাআ ফি খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ; সহিহ বুখারি, জুমুয়া অধ্যায়, বাবু হাদ্দাসানা আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ; সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাত, বাবু খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ)

ইমাম আল বাজি বলেছেন,

هذا دليل على أن لا خروج لهنّ الا باذن الزوج

অর্থ — “এ হাদিসে দলিল আছে যে, নারীদের জন্য স্বামীর অনুমতি ছাড়া মসজিদের জন্য বের হওয়া যাবে না।” (আল মুনতাকা, ১/৩৪২)

মুওয়াত্তা ইমাম মালিকে আরো এসেছে, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি বর্ণনা করেন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্ত্রী আতিকা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে যে, উমরের কাছে আতিকা মসজিদে যাবার অনুমতি চান। উমর কিছু বললেন না। আতিকা তাঁকে বললেন,

و الله لأخرجن الا أن تمنعني

অর্থ — “আল্লাহর কসম! আপনি নিষেধ না করলে আমি বের হবই।” কিন্তু উমর নিষেধ করেননি। (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, কিবলা অধ্যায়, বাবু মা জাআ ফি খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ)

মসজিদে নারীদের যেতে নিষেধ করা যে জায়েয নয়, তার দলিল হল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা “আল্লাহর বান্দিদের আল্লাহর মসজিদ থেকে মানা করো না”-এর আম অর্থ (আল বায়ান ওয়াত তাহসিল, ১/৩২১)।

মুসলিম শরিফে এসেছে, সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি,

لا تمنعوا نسائكم المساجد اذا استأذنّكم اليها

অর্থ — “তোমাদের স্ত্রীরা যখন মসজিদে যাবার অনুমতি চায়, তখন তাদের মানা কর না।” সালেম বলেন, “বিলাল বিন আব্দুল্লাহ তখন বলেন, “আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই মানা করব।” তখন আব্দুল্লাহ তার দিকে ফিরে এমন কঠিন তিরস্কার করলেন, যা আগে কখনোই তাঁর থেকে শুনিনি। আব্দুল্লাহ এরপর বললেন,

أخبرك عن رسول الله (صلى الله عليه و آله و سلم) و تقول: و الله لنمنعهن

অর্থ — “তোমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদিস বলছি, আর তুমি কিনা বলছ “আল্লাহর কসম আমি অবশ্যই মানা করব”!!” (সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাত, বাবু খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ)

নারীদের জন্য মসজিদে যাওয়া অপছন্দ করার কারণ হল বেশি বেশি যাওয়া, যাতে ফিতনার আশংকা থাকে (আল বায়ান ওয়াত তাহসিল, ১/৩২১)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

ما تركت بعدي فتنة أضرّ على الرجال من النساء

অর্থ — “আমার পরের সময়ের জন্য পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে অধিক ফিতনাকর কিছু ছেড়ে যাচ্ছি না।” (সহিহ বুখারি, কিতাবুন নিকাহ, বাবু মা ইউনকা মিন শুউমিল মারআহ; সহিহ মুসলিম, যিকর অধ্যায়, বাবু আকসারি আহলিল জান্নাতি আল ফুকারাউ)

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যুবা-বৃদ্ধা সকল নারীর জন্য ঈদের নামাযের যাওয়ার অনুমতির হাদিস এসেছে। তবে তার সাথে নারীদেরকে ঈদ এবং ইসতিসকার নামাযে যাওয়া নিষেধ করার কারণটা হল, এমন এক অবস্থা তৈরি হয়েছে, যা তাদেরকে অনুমতি দেয়ার সময়ে ছিল না। যখন অনুমতি দেয়া হয়েছিল, তখন নারীরা প্রদর্শনকারীনী (تفلات) ছিলেন না, সুগন্ধি লাগাতেন না, কোনো শোভা-সৌন্দর্য প্রকাশ করতেন না। হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তো বলেছেনই,

لو أدرك رسول الله (صلى الله عليه و آله و سلم) ما أحدث النساء لمنعهنّ المساجد كما منعه نساء بني اسرائيل

অর্থ — “মহিলারা নতুন নতুন যা শুরু করেছে, তা যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) দেখতে পেতেন, তবে তাদের মসজিদে যাওয়া নিষেধ করে দিতেন, যেমনটা বনি ইসরাইলের নারীদের নিষেধ করা হয়েছিল।” ((মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, কিবলা অধ্যায়, বাবু মা জাআ ফি খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ; সহিহ বুখারি, কিতাবুল আযান, বাবু ইনতিযারিল নাস কিয়ামাল ইমামিল আলিম)

শর্ত ৫ — রাতের বেলা বের হতে পারবে।

দলিল: মুসলিম শরিফে এসেছে, ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

ائذنوا للنساء بالليل الى المساجد

অর্থ — “রাতের বেলা নারীদের মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দাও।” ইবনে উমরের পুত্র, যার নাম ছিল ওয়াকিদ, তিনি বললেন, اذا يتجذنه دغلا, অর্থাৎ,“তারা তো ঝামেলা শুরু করবে।” ইবনে উমর পুত্রের বুকে আঘাত করে বললেন,

أحدثك عن رسول الله و تقول: لا!

অর্থ — “তোমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদিস বলছি, আর তুমি কিনা “না” বলছ!” (সহিহ মুসলিম, কিতাবুস সালাত, বাবু খুরুজিন নিসা ইলাল মাসাজিদ; হাদিসের কিছু অংশ এসেছে সহিহ বুখারি, জুমুয়া অধ্যায়, বাবু হাল আলা মান লাম ইয়াশহাদিল জুমুয়া গুসলুন মিনান নিসা ওয়াস সিবইয়ান)

অত্র শর্ত কাযি ইয়ায উল্লেখ করেছেন অত্র হাদিসের দলিল দিয়ে। তবে ইমাম আল বাজির মতে বিষয়টা বিষয়টা কেবল রাতের বেলা, তথা এশা আর ফজরের নামাযের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। কেননা, হাদিসে কেবল রাতের বেলা নারীদের মসজিদের যাবার কথা এসেছে যেহেতু নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাতেই নারীরা বের হতেন। মুওয়াত্তা কিতাবে হাদিস এসেছে, বুসর বিন সাইদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

اذا شهدت احداكن صلاة العشاء فلا تمسنّ طيبا

অর্থ — “নারীরা এশার নামাযে উপস্থিত হলে যেন সুগন্ধি না লাগায়।”

ইমাম আল বাজি বলেন,

اذا شهدت احداكن صلاة العشاء أي التي يمكن مشاهدة النساء لها لأن غالب ما يحضرن من الصلوات ما كان في أوقات الظلمات كالعشاء و الصبح

অর্থ — “”নারীরা এশার নামাযে উপস্থিত হলে” অর্থাৎ যেসব নারীর জন্য উপস্থিত হওয়া সম্ভব। কেননা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্ধকারের সময়ে, তথাত এশা এবং ফজর নামাযের সময়ে নারীরা উপস্থিত হতেন।” (আল মুনতাকা, ১/৩৪২)

বর্ণিত শর্তসমূহের বাহিরে যদি কোনো নারী মসজিদে যায়, তবে ফিতনার আশংকা থেকে তাকে নিষেধ করা ওয়াজিব হবে। কাযি ইয়ায বলেন,

و اذا منعت من المسجد فمن غيره أولى

অর্থ — “যদি নারীকে মসজিদেই যেতে মানা করা হয়, তবে অন্য কোথাও যাওয়ার বিষয়টি তো গুরুতর!” (ইকমালুল ইকমাল, ২/১৮৮)

[অনুবাদ সমাপ্ত — সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট, ৭ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জুমাদা আল আউয়াল, ১৪৪৫ হিজরি]


অনুবাদঃ এম নাহি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *