ইসলামি আইন কি মিসোজিনি (পুরুষতান্ত্রিকতা) দ্বারা প্রভাবিত?

– উস্তাদ বাসসাম জাওয়াদি

আমরা কি ইসলামি ইলমকে পুরুষতান্ত্রিক প্রভাব থেকে মুক্ত বলে বিশ্বাস করতে পারি? এখানে দুটো বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে-

১/ কিছু সময়ে কিছু আলিমের উপর ‘পুরুষতান্ত্রিক প্রভাব’ নিয়ে চিন্তিত হওয়া

২/ সর্বযুগের সকল আলিমের উপর ‘পুরুষতান্ত্রিক প্রভাব’ নিয়ে চিন্তিত হওয়া প্রথমটি একটি সম্ভাবনা। দ্বিতীয়টা নয়। কেন নয়, এর পেছনে কিছু আকিদাগত, ঐতিহাসিক এবং যৌক্তিক কারণ বিদ্যমান। .

## ঐতিহাসিক কারণ:

আজ আমাদের নারী সংক্রান্ত যেসকল হুকুম-আহকাম রয়েছে, তার অনেকগুলোরই উৎস সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের যুগে এবং পরবর্তী প্রথমদিকের যুগগুলোতে আলিমগণ বের করতে সক্ষম। এখন যদি না মডার্নিস্টরা দাঁতকামড়ে সাহাবি এবং সালাফদের প্রজন্মগুলোকেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ দাবি করতে চায় (যাদের প্রথা ও সংস্কৃতি ইসলামের ব্যাখ্যায় প্রভাব ফেলেছে), তাহলে ঠিক কখন কুরআন-সুন্নাহ অন্যায়ভাবে পুরুষতান্ত্রিক ব্যাখ্যাকারক এবং ফকিহদের হাতে পড়েছে— এই ব্যাপারে কোনো ঐতিহাসিক যুক্তি-দাবি দাঁড়া করার জন্যে তাদের চাপ প্রয়োগ করতে হবে। তাদেরকে দেখাতে হবে, ইসলামের ইতিহাসের ঠিক কোন পয়েন্টে (কাছাকাছি হলেও) এই বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্যোগ শুরু হয়। বাস্তবতা হল, তারা এটা করতে সক্ষম হবে না। .

## ফিকহের প্রকৃতি এবং ফকিহদের চিন্তাধারা একে জায়গা দেবে না:

ইসলামি ইলমিধারায় সবসময় ফিকহশাস্ত্রে উরফের ভূমিকা নিয়ে অধ্যয়ন চলমান। আলিমগণ ইসলামি হুকুম-আহকামে উরফের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রচুর কালি ঝরিয়েছেন। কোন হুকুম-আহকামগুলো অপরিবর্তনীয় আর কোনগুলো অবস্থা বা উরফভেদে পরিবর্তনীয়— তার ফারাক করতে তাঁরা প্রচুর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

এখন যদি দাবি করা হয়, ভিন্ন ভিন্ন ভূ-তাত্ত্বিক এলাকা থেকে হাজার হাজার আলেমরা হাজার বছর ধরে ‘পুরুষতান্ত্রিক উরফ’কে (যা নারীদের ব্যাপারে ইসলামি ইলমিধারার বেশিরভাগ বক্তব্যকেই প্রভাবান্বিত করেছে) ধরতে সক্ষম হননি, তাহলে এটা কঠিন দাবি। বরং, পুরুষ আলেমদের বিরুদ্ধে এটা খুবই সেক্সিস্ট এবং বিদ্বেষপূর্ণ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়, তাদের ইলম ও সত্যের সন্ধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এখানে চরম পর্যায়ে ব্যক্তি-আক্রমণ এবং পুরুষবিদ্বেষীতা ছাড়া কিছু নেই। তাও আবার যেখানে এমন অনেক পুরুষ আলিমেরই নারী শিক্ষিকা ছিলেন।

ফিকহের ব্যাপারে যার বেসিক ধারণা রয়েছে, সেও জানে যে নির্দিষ্ট কিছু মূলনীতি ও কায়েদা ফিকহের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে, যেগুলা যৌক্তিকভাবে সহজাত এবং অন্তর্নিহিত লিঙ্গ-পক্ষপাতিত্ব থেকে মুক্ত। তাছাড়া, ফুকাহারা এই মূলনীতিগুলো মেনে কাজ করতে আবদ্ধ, না করলে তাদের সমলোচনার সম্মুখীন হতে হবে, বিশেষ করে ভিন্ন প্রতিযোগী মাযহাবের ফুকাহাদের নিকট (যাদের ভুল ধরার জন্যে বাড়তি প্রেরণা থাকে) [১]। তাই, লিঙ্গের প্রতি পক্ষপাতিত্বের কারণে এমন লিঙ্গকেন্দ্রিক হুকুম-আহকাম ইজমা দ্বারা বা একেবারে অধিকাংশ আলেমদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন দাবির অর্থ দাঁড়ায় দুটো-

১/ এসকল আলেমরা লিঙ্গ-পক্ষপাতহীন নীতি এবং কায়েদা প্রয়োগ করতে অযোগ্য ছিলেন যে তারা নিজস্ব সাংস্কৃতিক পক্ষপাতিত্বের ব্যাপারে সচেতন হতে পারেননি, যদিও তারা যোগ্য ফকিহ হিসেবে সবসময় তাদের হুকুম-আহকামে উরফের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন।

অথবা, ২/ তারা মুখলিস ছিলেন না। কিন্তু যখন আমরা দেখি কিছু আলেম শাসকদের অপছন্দনীয় মত পোষণের কারণে যেভাবে নির্যাতন, বন্দিত্ব বা নির্বাসনের স্বীকার হয়েছেন, তখন এই ধরণের দাবি (কতটা ভিত্তিহীন এবং অপবাদমূলক- তা সত্ত্বেও) বিশ্বাস করা কঠিন।

## প্রমাণ বিপরীত ইঙ্গিত করে:

ধরে নেওয়া যাক, পুরুষতান্ত্রিক পক্ষপাতিত্বের সত্যিই বৃহৎ পরিসরে প্রভাব ছিল। সেটা হলে, এই পুরুষতান্ত্রিকতার বাহ্যিক প্রভাব মৌলিকভাবে [কেবল] ফিকহের নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে (উত্তরাধিকার, ইমামত, সাক্ষী, বিয়ে ইত্যাদি) দেখাটা বেমানান। যেখানে আবার কাকতালীয়ভাবে এই আহকামগুলোর পক্ষে শক্ত কুরআন-সুন্নাহর দলিল বিদ্যমান। একইসাথে, ফিকহের বিশাল পরিসরজুড়ে অনেকগুলো বিষয়ে (যেমন- ব্যবসা, লেনদেন) তেমন কোনো লিঙ্গভিত্তিক হুকুম নেই। যদি উক্ত ফকিহগণ সত্যিই নারীদের টার্গেট করতেন এবং নিচে নামাতে চাইতেন, তাহলে তাঁরা আরও ভালভাবে কাজটা করতে পারতেন! তাছাড়া আরও মজার ব্যাপার হলো, নারী সাহাবিয়্যা আলেমদের অনেকগুলো ফিকহি মত লিবারেল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কিছু ক্লাসিক্যাল পুরুষ আলেমদের মতের চেয়ে বেশি মিসোজিনিস্টিক। কিছু উদাহরণ নিম্নরুপ-

১/ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সময়ের অবস্থা দেখলে নারীদের মসজিদে যাবার অনুমোদন দিতেন না, সেখানে ইবনে উমর (রা) রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যে নারীদের মসজিদে যেতে বাঁধা দেওয়া উচিৎ না। ২/ আয়েশা (রা) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন ওয়ালি ছাড়া বিয়ে হবে না। সেখানে ইমাম আবু হানিফা দ্বিমত পোষণ করেছেন, এবং বলেছেন প্রাপ্তবয়স্ক নারী ওয়ালি ছাড়া বিয়ে সম্পাদন করতে পারে।

৩/ আয়েশা (রা) মনে করতেন যে, বিধবা নারী মৃত স্বামীর উত্তরাধিকারের সম্পদ থেকে বাসস্থানের খরচ পাবে না, সেখানে ইবনে উমর (রা) দ্বিমত পোষণ করেছেন এবং বলেছেন সে ইদ্দতের সময়ে তা পাবে।

৪/ আয়েশা (রা) মনে করতেন যে, তিনতালাকপ্রাপ্ত বিধবা নারী উত্তরাধিকারের সম্পদ পাবে না, যাকে তাঁর স্বামী অসুস্থ (মৃতশয্যার মত) অবস্থায় তালাক দিয়েছে। সেখানে ইমাম মালিক (র) দ্বিমত পোষণ করেছেন এবং বলেছেন এটা পুরোই তাঁর; এমনকি অসুস্থ অবস্থায় তাঁর স্বামীর বিয়ে করা নতুন স্ত্রীগণও এর অংশ পাবেন না।

৫/ আয়েশা (রা) মনে করতেন, নারী মুরতাদকে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, সেখানে ইবনে আব্বাস (রা) দ্বিমত পোষণ করেছেন, ইমাম আবু হানিফা ইবনে আব্বাসের সাথে একমত পোষণ করেছেন।

৬/ ফাতিমা বিনতে কায়েস (রা) মনে করতেন, তিন তালাকপ্রাপ্ত নারীরা নাফাকাহ এবং বাসস্থানের অধিকার পাবে না, কিন্তু উমার (রা) তাঁর সাথে দ্বিমত পোষণ করেন।

৭/ আল-রুবাইয়া বিনতে মু’আওওয়াদ (রা) মনে করতেন, যদি কোনো নারী নিজে খোলার মাধ্যমে তালাক নেয়, তাহলে তাকে সব ছেড়ে দিতে হবে যেখানে আলি ইবনে আলি তালিব (রা) বলেছেন তাকে শুধু স্বামীর দেওয়া সাদাকা ছেড়ে দিতে হবে।

৮/ হাফসা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) মনে করতেন নারী কালো-যাদুকরদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিৎ, উসমান ইবনে আফফান (রা) তাঁর সাথে দ্বিমত পোষণ করেন।

তাছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে, যখন নারী সাহাবিয়্যারা অনুভব করেছেন যে তাদের অধিকার দেওয়া হয়নি, তারা দ্বিমত পোষণ করতেন, দলিল পেশ করতেন এবং পুরুষ সাহাবিদের (রা) দলিলের ভিত্তিতে (আবেগি কথাবার্তার পরিবর্তে) মত বদলাতে ধাবিত করতেন। যেমন উমর বিন আল-খাত্তাব বলেছিলেন, “নারী সঠিক আর উমর ভুল।“ যদিও এই কাহিনির সনদের ব্যাপারে কিছু সমলোচনা আছে, ইবনে তাইমিয়ার মত আলেমগণ এখান থেকে দলিলের প্রতি নত হওয়াকে প্রশংসনীয় বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখেছেন— সেটা যে-ই পেশ করুক এবং তাঁরা কাহিনির অর্থকে বাদ দিয়ে দেননি। যদি তাঁরা একদল সেক্সিস্ট/লিঙ্গবাদী হতেন, তাহলে তাদের পুরুষীয় অহমিকা এই কাহিনী কোনোকালে ঘটেছিল সেটা ভুল প্রমাণ করার জন্যে উঠেপড়ে লাগত। .

## আকিদা বা বিশ্বাসগত কারণ:

যদি মডার্নিস্টরা দাঁতকামড়ে বলেই ফেলে যে সাহাবিদের সমাজ ছিল পুরুষতান্ত্রিক সমাজ যা কুরআন-সুন্নাহর বুঝকে বিকৃত করেছে, তাহলে আমরা আল্লাহর বাণী সম্পর্কে কি বলব “তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত। [মানবজাতির জন্যে উদাহরণ হিসেবে]“ [৩/১১০]? আমরা সেসব হাদিসের ব্যাপারে কি করব যেখানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবিদের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, “[যারা অনুসরণ করে] যা আমি ও আমার সাহাবিরা অনুসরণ করি”— যখন তিনি নাজাতপ্রাপ্ত দল সম্পর্কে বলেছিলেন?

তাছাড়া কেন রাসুলুল্লাহ (সা) তাঁর সাহাবিদের “পুরুষতান্ত্রিকতা” থেকে বেরিয়ে আসা শেখাননি? তিনি ইতিমধ্যেই তাদেরকে সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে বেরিয়ে আসতে বলেছিলেন— তাদের শিরকি ধর্ম! তিনি তাদের শিখিয়েছেন যে আরবরা অনারবদের থেকে শ্রেষ্ঠ নন। তিনি তাদের শিখিয়েছেন গোত্রবাদিতা সঠিক নয়। তিনি তাদের শিখিয়েছেন অন্ধভাবে পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করা ভুল। তিনি তাদের অনেককিছু ত্যাগ করতে শিখিয়েছেন যেগুলো তাদের বিশ্বাস এবং সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত ছিল। তাই কেন তাদেরকে তিনি [অধুনা] লিঙ্গভিত্তিক-ভূমিকা (জেন্ডার রোল) নিয়ে এবং পুরুষতান্ত্রিকতা ত্যাগ করতে শেখাননি? যদি রাসুলুল্লাহ (সা) সত্যিই মডার্নিস্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী একজন ‘লিঙ্গ-সাম্যবাদী’ হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি কেন এটাকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি? এমন পর্যায়ের গুরুত্ব যা এর সম্ভাব্য মন্দকে মুছে ফেলার চেষ্টা করবে এবং এর প্রভাবকে পরবর্তী হাজার বছরের মুসলিমদের নিকট পৌঁছতে দেবে না? এটা কি রাসুলুল্লাহর (সা) দূরদৃষ্টির ঘাটতি ছিল (আস্তাগফিরুল্লাহ) ?

তাছাড়া কিভাবে আল্লাহ এই ভ্রান্ত পুরুষতান্ত্রিকতা (যা নারীদের জুলুম করার কথা) পুরো উম্মাহর উপর এত বিরাট সময় ধরে বিস্তার করতে দিয়েছেন? এটা কি আকিদাগতভাবে বড় সমস্যাজনক নয়? কিভাবে আল্লাহ এত লম্বা সময় ধরে সকল মুসলিম আলেমকে প্রতারিত থাকতে দিয়েছেন?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেছেন, আল্লাহ প্রত্যেক শতকে একজন মুজাদ্দিদ পাঠাবেন— দ্বীনের সঠিক বুঝকে পুনরিজ্জীবনের জন্যে। তাহলে ক্লাসিক্যাল ইসলামি ইতিহাসে আমরা যত মুজাদ্দিদের ব্যাপারে ভাবতে পারি, কিভাবে তারা সকলে কখনোই এই অন্যায় পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে কথা বলেননি, যা মডার্নিস্টদের দাবি অনুসারে ইসলামকে বিকৃত করেছে? আর কুরআন-সুন্নাহকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা শেখানোর জন্যে আল্লাহ বিংশ শতাব্দিকে বাছাই করলেন, তাও আবার কাফিরদেরকে যারা ইসলামের প্রতি বৈরি— এটা কি আরও বাজে নয়? কেন আল্লাহ মুজাদ্দিদের এই বরকতময় ভূমিকা কাফির সেকুলার লিবারেলদের দিবেন? আকিদাগত পর্যায়ে এটা কি বেমানান এবং অদ্ভুত নয়?

সার্বিকভাবে, এই পুরো পুরুষতান্ত্রিকতার দাবি বা অপবাদে শক্ত ত্রুটি বিদ্যমান এবং সবগুলো প্রমাণের মুখে বিশ্বাসযোগ্যতা খুবই দুর্বল। এখানে সেখানে আলেমদের থেকে উদাহরণ দেখানো— যারা হয়ত নারীদের ব্যাপারে আসলেই অপমানজনক মন্তব্য বা বৈজ্ঞানিকভাবে বেঠিক দাবি করেছেন— কোনো ভাবেই তা বৃহৎ পরিসরে এই আধুনিক দাবির অস্তিত্বকে অনুমোদন দেয় না।


লেখক পরিচিতি: উস্তাদ বাসসাম জাওয়াদি ইউনিভার্সিটি অফ লিডস থেকে ‘ফিলোসফি অফ রিলিজিয়ন এন্ড এথিকস’-এ মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইসলামকে ডিফেন্ড করে এবং মডার্নিস্ট মতবাদের খণ্ডন করে বিভিন্ন কাজ করেন।

ছবির সূত্র: What Happens When We Pass Beyond The Point Of Gender Parity? | HuffPost Life

ফুটনোট:

[১] ভিন্ন ইখতিলাফি মতের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা আমাদের ইলমি ঐতিহ্যের অংশ। দ্বিমতের ক্ষেত্রে আদাবুল ইখতিলাফ মেনে সমলোচনা হতে পারে, আবার এমন প্রেরণা কখনো বাড়াবাড়ির দিকে নিয়ে যেতে পারে- যা থেকে দূরে থাকা কাম্য। [অনুবাদক]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *